আনভীর ও মুনিয়ার প্রেম ও আত্মহত্যার আত্মকথা | Daisnews24.com    
       
Daisnews24.com
বুধবার , ২৮ এপ্রিল ২০২১ | ১২ই শ্রাবণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
       
  1. ENGLISH
  2. অর্থ ও বানিজ্য
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইত্রামি
  5. ইসলাম
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. জবস
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. পাঁচমিশালী
  12. প্রবাসে বাংলাদেশ
  13. ফটোগ্রাফি
  14. বিনোদন
  15. মতামত
     
               

আনভীর ও মুনিয়ার প্রেম ও আত্মহত্যার আত্মকথা

 
প্রতিবেদক
  নিউজ ডেস্ক
এপ্রিল ২৮, ২০২১ ৭:০১ পূর্বাহ্ণ
                       
                       

আনভীর ও মুনিয়ার প্রেম কাহিনী প্রায় দুই বছর ধরে, তাদের প্রেম-ভালোবাসা এবং সবকিছুই চলছিল সমানতালে। কখনো স্বামী কখনো প্রেমিকা কখনো অন্য পরিচয় দিয়ে তাদের বসবাস। 

আনভীর ও মুনিয়ার প্রেম কাহিনী সমাপ্ত হয় আত্মহত্যার মাধ্যমে। বিভিন্ন রহস্যের জন্ম দেয় মোসায়াত জাহান মুনিয়ার মৃত লাশ তার ফ্লাটে পাওয়ার পর থেকে।


আরও পড়ুনঃ দেশি এপ “বৈঠক” দিবে জুমের অভিজ্ঞতা


গুলশানে লাখ টাকা ফ্ল্যাটে মুনিয়া একাই থাকতেন। তবে আত্মহত্যার পর আত্মহত্যার প্ররোচনার দায়ে বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীর এর বিরুদ্ধে পরিবার মামলা করে।

মামলার পরেই আনভীরের বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। মুনিয়ার আত্মহত্যার পর আনভীরের সাথে অন্তরঙ্গ ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়।


আরও পড়ুনঃ রায়হান, একজন বাংলাদেশী নৃত্যশিল্পী


ছবিগুলো দেখে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানাজন নানা রকমের মন্তব্য করছেন এবং বিভিন্ন ধরনের চিন্তা প্রকাশ করছেন। তাদের কিছু প্রশ্নের অন্যতম হল আনভীন ও মুনিয়ার সম্পর্ক কি ছিল? আত্মহত্যা করলে কেন আত্মহত্যা করেছে?  নাকি মুনিয়ার হত্যা হয়েছে?

এরকম নানা মন্তব্য গতকাল সোশ্যাল মিডিয়ার নিউজফিডে ভেসে এসেছে। এ ঘটনায় বসুন্ধরা এমডি আনভীনের বিরুদ্ধে মামলা করা হলেও কোনো গণমাধ্যম সে সম্পর্কে কিছু বলেনি এবং বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকেও তেমন কিছু বলা হয়নি।


আরও পড়ুনঃ সকলেই কি পুঁজির দাসত্ব মেনে চলে? – ফরহাদ মাজহার


পুলিশের সূত্রে জানা যায়, মুনিয়ার ফ্ল্যাটের ওয়ালে আনভীন ও মুনিয়ার বেশ কিছু ছবি দেখা যায়।

ঘটনার শুরুঃ

গত ২৩ এপ্রিল অর্থাৎ ১০ রোজার সময়, মুনিয়া যে বাসায় থাকতো সেই বাসার মালিক একটি ইফতার পার্টির আয়োজন করে। মুনিয়া এবং আনভীন সেই পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন। তারা সেখানে বেশ কিছু ছবি তোলেন।


আরও পড়ুনঃ নিরাপদ বিনিয়োগের সুযোগ আছে যেখানে


সেই ছবি বাড়ির মালিকের মেয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন। সেই ছবি ফারিয়া মাহবুব পিয়াসার মাধ্যমে আনভীরের মার কাছে পৌঁছায়।

সেই ছবি প্রেক্ষিতে আনভীনকে বিদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয় এবং মুনিয়াকে তার কুমিল্লার বাড়িতে চলে যেতে বলা হয়, সেইসাথে আলভীরের জীবন থেকে সরে যেতে বলা হয়। তানভীরের জীবন থেকে সরে না গেলে তাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়।


আরও পড়ুনঃ হেফাজত নিয়ে বিস্তর তোলপাড়ঃ ফরহাদ মাজহার


মুনিয়ার বাসায় যা পাওয়া যায়ঃ

আত্মহত্যার পর মুনিয়ার বাসা থেকে ৬ টি ডাইরি জব্দ করে পুলিশ। সেই ডাইরি গুলোতে এমোনিয়া প্রকাশ করেছে তার ভালোবাসা দুঃখ যন্ত্রণা এবং ঘটনাপ্রবাহ।

ডাইরিতে সবগুলো ঘটনা খুবই স্পষ্ট ভাবে সুন্দর ভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। মুনিয়া তার জীবনের শেষ ইচ্ছে টাও তার ডাইরিতে প্রকাশ করেন।


আরও পড়ুনঃ খুদেবার্তা বন্ধ করবেন যেভাবে


পুলিশ ২৩ এপ্রিল থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত সিসিটিভির ফুটেজ নিয়েছে। পুলিশ জানার চেষ্টা করছে এই বাসায় কারা যাতায়াত করতো এবং মুনিয়া কাদের সাথে মেলামেশা করতো তার পূর্ণাঙ্গ চিত্র।

আনভীর ও মুনিয়াঃ

মুনিয়া জানত আনভীর একজন বিবাহিত এবং তার বাচ্চা রয়েছে। তারপরও মুনিয়াত তানভীরকে প্রচুর পরিমাণ ভালোবাসতো যার ফলশ্রুতিতে সে তাকে ভুলতে পারছিল না।


আরও পড়ুনঃ “বাংলা কার” আসছে বাজারে


মুনিয়া গুলশান ২ এর ১২০ নম্বর রোডের ১৯ নম্বর বাসায়। নিরাপত্তারক্ষী আব্দুল কুদ্দুস এর মাধ্যমে জানা যায়, মুনিয়া বি-থ্রি ফ্লাটে একা থাকতেন। নিরাপত্তারক্ষী জানান সায়েম সোবাহান আনভীর ২২ ও ২৩ এপ্রিল তার বাসায় আসেন। বাসাটি পহেলা মার্চ মুনিয়া দুই বছরের চুক্তিতে ভাড়া নেন।

বাসার মালিকের মেয়ে জামাতা ইব্রাহিমকে মাসে ১ লক্ষ  টাকা ও সার্ভিস চার্জ বাবদ আরও ১১ হাজার টাকা বাসা ভাড়া অন্যকারো মাধ্যমে দিতেন।


আরও পড়ুনঃ লকডাউনে ফেসবুক ও ইউটিউব ব্যবহার বেড়েছে


ঢাকা থাকাকালীনই তার সাথে আনভীরের পরিচয় হয়। তারা ২০১৯ সাল থেকে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় বনানীর একটি বাসায় ভাড়া নিয়ে থাকতেন।

এছাড়াও তারা বিভিন্ন স্থানে মেলামেশা করতো এবং বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে ঘোরাঘুরি করতো। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অর্থাৎ করোনার বন্ধের আগে আনভিরের  মা এ সম্পর্কে জানতে পারে।


আরও পড়ুনঃ Why Twitter is important for Bangladeshi


এসময় মডেল-অভিনেতা পিয়াসার মাধ্যমে মুনিয়ার সাথে যোগাযোগ করে আনভীরের মা। তখনও তার মা তাকে কুমিল্লায় চলে যেতে বলেন এবং আনভীরও তাকে কুমিল্লা চলে যেতে বলেন। পহেলা মার্চ আবার মুনিয়া ঢাকায় ভাড়া বাসা নিয়ে থাকা শুরু করেন।

মনের ডাইরি থেকে জানা যায় আনবে এর উদ্দেশ্য ছিল মুনিয়াকে দুবাইতে নিয়ে গিয়ে সেখানে সেটেল করে সেখানে বসবাসের সুযোগ করে দেওয়া।


আরও পড়ুনঃ মেহজাবিন এর নতুন বিস্ময় ইউটিউব


মুনিয়ার পরিচয়ঃ

মুনিয়া ঢাকা ক্যান্ট গার্লস পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। মুনিয়ারর বাবা ছিলেন একজন বড় ধরনের ঠিকাদার এবং ব্যাপক পরিচিত। মা ছিলেন একজন ব্যাংক কর্মকর্তা।

ঢাকা আসার আগেই মুনিয়ার বাবা-মা মারা যান। মুনিয়া ঢাকায় তার বোনের সাথে প্রথমে থাকা শুরু করেন। পরে আনভীরের সাথে পরিচয় হয়।


আরও পড়ুনঃ সোশ্যাল মিডিয়া এলগরিদমে আমাদের দৃষ্টি


মুনিয়ার পক্ষে মামলা করেন মুনিয়ার বড় বোন ব্যাংক কর্মকর্তা নুসরাত জাহান। মনির বড় বোন সম্পর্ক সম্পর্কে মোটামুটি সবই জানতেন। পরিবারের অন্য কারো সাথে যোগাযোগ না হলেও বড় বোনের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন।


প্রতি মূহুর্তের সেরা সংবাদ জানতে ভিজিট করুন।
www.facebook.com/daisnews24
www.twitter.com/DaisNews24
https://web.facebook.com/groups/daisnews24
#DaisNews24

সর্বশেষ - ক্যাম্পাস

আপনার জন্য নির্বাচিত

করোনা আক্রান্তদের বাড়ি রংপুরের জেলা প্রশাসকের খাদ্যসামগ্রী

ফেসবুকে মহানবী (সা.)কে কটূক্তি, পাকুন্দিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

‘ডোপ টেস্টে কেউ যদি পজিটিভ হয়, তবে সে সরকারি চাকরি পাবেন নাঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মোংলায় টমটম চালককে পেটালেন বিনা ভোটের চেয়ারম্যান!

“বাংলা কার” আসছে বাজারে

10 Small Business Ideas for college kids in Bangladesh

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অটোরিকশা চালকের মৃত্যু

অন্যের শিশুসন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে নিজের জীবন দিয়ে দিল যুবক, কাঁদছে পুরো এলাকা

কৈ মাছ কেন মাটিতে উঠে আসে জানেন?

আওয়ামীলীগের ৭২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সফল হোক আশরাফুর রহমান (তপন)

%d bloggers like this: