টাঙ্গুয়ার হাওরে একদিন !  | Daisnews24.com    
       
Daisnews24.com
বৃহস্পতিবার , ২০ মে ২০২১ | ১২ই শ্রাবণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
       
  1. ENGLISH
  2. অর্থ ও বানিজ্য
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইত্রামি
  5. ইসলাম
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. জবস
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. পাঁচমিশালী
  12. প্রবাসে বাংলাদেশ
  13. ফটোগ্রাফি
  14. বিনোদন
  15. মতামত
     
               

টাঙ্গুয়ার হাওরে একদিন ! 

 
প্রতিবেদক
  নিউজ ডেস্ক
মে ২০, ২০২১ ১১:০৮ পূর্বাহ্ণ
                       
                       

“চলো না ঘুরে আসি অজানাতে/যেখানে নদী এসে থেমে গেছে” ~ সবসময়ই যে নদীর আশেপাশে ঘুরে রোমান্টিক অনূভুতি অনুভব করতে হবে এমনটা নয় যদি ও। যেখানে নদীর মতো বাংলাদেশের হাকালুকি, টাঙ্গুয়ার হাওর আছে তাহলে ঘুরাঘুরি নদীর মাঝে সীমাবদ্ধ না রেখে হাওরের মাঝে রাখা উচিত।

জ্বী , টাঙ্গুয়ার হাওরের কথা বলছি। বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তর মিঠা পানির হাওর যা ১০০ বর্গকিলোমিটার জুড়ে অবস্থিত। স্থানীয় লোকজনের কাছে নানা নামে টাঙ্গুয়ার পরিচিত যেমন নয়কুড়ি কান্দার ছয়কুড়ি বিল ইত্যাদি।


সানজিদা আক্তার মিতু


ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পাহাড় থেকে ৪৫ টির অধিক ঝরনা এসে মিলিত হয়েছে এই টাঙ্গুয়ার হাওরে। মিঠা পানির এই হাওরটি ২৮ বর্গকিলোমিটার এবং বাকিটুকু আশেপাশের মাঝি , কৃষক এবং জেলেদের বসতি কৃষি জমি নিয়ে অন্তর্ভুক্ত।

নলখাগড়া বন , হিজল করচ বন নিয়ে বর্ষাকালে টাঙ্গুয়ার হাওরটি আয়তন হয় প্রায় ২০,০০০ একর। যখন ১৯৯৯ সালে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষিত হয় তখনই ৬০ বছরের ইজারাদারির অবসান ঘটে।

টাঙ্গুয়ার হাওর অপরুপ সৌন্দর্যে ভরপুর। এই হাওরটিকে আর দৃষ্টি নন্দন করেছে হিজল করচের সারি।


আরও পড়ুনঃ হামাস কেন রকেট ছুড়ে? ~ ফরহাদ মাজহার


তাছাড়াও দুধিলতা, নীল শাপলা, পানিফল, শোলা, শতমূলি , বনতুলসী ইত্যাদি সহ নানা প্রজাতির গাছপালা রয়েছে এই এলাকা জুড়ে।

বিভিন্ন প্রজাতির মাছ, পাখি, কচ্ছপ, গিরগিটি এবং নানা প্রজাতির সাপের যেন একটি বিচরন জায়গা। শীতের মৌসুমে যেন অতিথি পাখির আবাসস্থল হয়ে উঠে এই হাওরটি।

এছাড়াও শকুন, প্যালাসেস ঈগল, কালেম, বৈদর , পানকৌড়ি ,বক, সারস প্রভৃতির সমাহার যেন বিস্ময়কর এবং রহস্যময়।


আরও পড়ুনঃ Bangladeshi Agro-tech eco-system in the last 2 years


টাঙ্গুয়ার হাওরকে দেখলে যেন মনে হয় এটি মাছের একটা আশ্রম। হরেক প্রকারেই মাছ, পাখি এবং বিভিন্ন গাছগাছালি নিয়ে হাওরটি যেন পরিপূর্ণ এক অনন্য ইকোসিস্টেম।

জুন জুলাই এই দুই মাস পানিতে পরিপূর্ণ থাকে এই হাওরটি। তবে আগষ্ট মাসে যেন রূপসী রূপ ধারণ করে টাঙ্গুয়ার হাওর।

যারা জোৎস্না বিলাসী তারা টাঙ্গুয়ার হাওরে যেয়ে জোৎস্না বিলাস করতে পারেন। চাঁদের আলো আর চারপাশের জোনাকি পোকার আলোড়নে রহস্যময় রূপে পরিনত হওয়া টাঙ্গুয়ার হাওরের প্রেমে যেকেউ পরে যাবে।

তাই যারা ভ্রমনপিপাসু, প্রকৃতি প্রেমিক তারা একবার যেয়ে টাঙ্গুয়ার হাওর ঘুরে আসতে পারেন।


আরও পড়ুনঃ চোখের আদ্রর্তা বজায় রাখার জন্য যা যা করবেন


আর যারা প্রিয়জনের সাথে সময় কাটাতে চান বা জোৎস্না বিলাস করতে অথবা প্রিয়জনকে সারপ্রাইজ দিতে চান তাদের জন্য টাঙ্গুয়ার হাওর একটা উওম জায়গা।

কীভাবে যাবেন ?

ঢাকা থেকে যেকোন বাসে করে আপনি সুনামগঞ্জ আসতে পারেন। ঐই শহরের সাহেব বাড়ি নৌকা ঘাট থেকে স্পীড বোট , বা নৌকা করে সরাসরি টাঙ্গুয়ার হাওর যেতে পারবেন।

স্পীড বোটের খরচ ৭০০০/- থেকে ৮০০০/- টাকা এছাড়া যারা রাতে নৌকায় থেকে পু্রো হাওরের মাঝে রাত কাটাতে চান সেক্ষেত্রে ১২০০০/- থেকে ১৪০০০/- খরচ হতে পারে। আর আশে পাশে থাকার জন্য বিভিন্ন রেস্ট হাউজ রয়েছে যদি ও।

তাই আর দেরি না করে ঘুরে আসতে পারেন সৌন্দর্যে রহস্যে ভরপুর টাঙ্গুয়ার হাওর।


Daisnews24.com এর সর্বশেষ নিউজ পেতে ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন…

www.facebook.com/daisnews24

সর্বশেষ - ক্যাম্পাস

%d bloggers like this: